২১. অমুসলিমদের সাথে আচরণ
২১. অমুসলিমদের সাথে আচরণ
নবীজি (সা.) ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের সাথে সদাচরণের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছিলেন, "যে কোনো অমুসলিম নাগরিককে কষ্ট দিল, সে যেন আমাকেই কষ্ট দিল।"
২২. শ্রমিকের মজুরি পরিশোধ
তিনি শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বলেছেন, "শ্রমিকের গায়ের ঘাম শুকানোর আগেই তার মজুরি পরিশোধ করে দাও।"
২৩. নারী জাতির সম্মান প্রতিষ্ঠা
ইসলামের আগে নারীদের অবজ্ঞা করা হতো। নবীজি (সা.) ঘোষণা করেছেন, "মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের জান্নাত" এবং কন্যা সন্তানদের জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন।
২৪. এতিমের দায়িত্ব গ্রহণ
তিনি দুই আঙুল পাশাপাশি রেখে বলেছিলেন, "আমি এবং এতিমের দায়িত্ব গ্রহণকারী জান্নাতে এভাবেই কাছাকাছি থাকব।"
২৫. প্রতিবেশীর হক আদায়
জিবরাঈল (আ.) প্রতিবেশীর ব্যাপারে এত বেশি তাকিদ দিচ্ছিলেন যে, নবীজি (সা.) মনে করেছিলেন প্রতিবেশীকে বুঝি সম্পদের উত্তরাধিকারী বানিয়ে দেওয়া হবে!
২৬. পরিবেশ রক্ষা ও বৃক্ষরোপণ
তিনি বলেছেন, "যদি কেয়ামত শুরু হয়ে যায় এবং তোমাদের কারও হাতে একটি চারা গাছ থাকে, তবে সে যেন তা রোপণ করে দেয়।"
২৭. জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সত্যবাদিতা
কৌতুক করেও তিনি কখনো মিথ্যা বলতেন না। তিনি শিখিয়েছেন যে, সত্য মানুষকে মুক্তি দেয় আর মিথ্যা ধ্বংস করে।
২৮. রুগী দেখার সওয়াব
তিনি নিয়মিত অসুস্থ সাহাবীদের দেখতে যেতেন। এমনকি এক বৃদ্ধা যে তাঁর পথে কাঁটা বিছিয়ে রাখত, সে অসুস্থ হলে তিনি তাকে দেখতে গিয়েছিলেন।
২৯. জ্ঞান অন্বেষণ করা
তিনি জ্ঞান অর্জনকে প্রত্যেক মুসলিমের জন্য ফরজ করেছেন এবং বিদ্বানদের কালিকে শহীদের রক্তের চেয়েও মর্যাদাপূর্ণ বলেছেন।
৩০. উত্তম চরিত্রের পূর্ণতা
নবীজি (সা.) বলেছেন, "আমাকে পাঠানো হয়েছে কেবল চরিত্রের পূর্ণতা দান করার জন্য।" কিয়ামতের দিন মিজানে সবচেয়ে ভারি হবে সুন্দর চরিত্র।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন