১১. নবীজির নামাজ ও ইবাদত
১১. নবীজির নামাজ ও ইবাদত
নবীজি (সা.) রাতে এত দীর্ঘ সময় নামাজে দাঁড়িয়ে থাকতেন যে তাঁর পা ফুলে যেত। তিনি বলতেন, "আমি কি আল্লাহর কৃতজ্ঞ বান্দা হব না?"
১২. শিশুদের প্রতি দয়া ও মমতা
তিনি শিশুদের অনেক ভালোবাসতেন। রাস্তায় কোনো শিশুর সাথে দেখা হলে তিনি আগে সালাম দিতেন এবং তাদের মাথায় হাত বুলিয়ে দিতেন।
১৩. তায়েফের ময়দানে ক্ষমা
তায়েফবাসী যখন তাঁকে পাথর মেরে রক্তাক্ত করেছিল, তখনও তিনি অভিশাপ দেননি। বরং বলেছিলেন, "হে আল্লাহ! ওদের জ্ঞান দাও, ওরা তো সত্য চেনে না।"
১৪. সাধারণ জীবনযাপন ও আহার
নবীজি (সা.)-এর ঘরে টানা কয়েকদিন চুলা জ্বলত না। শুধু খেজুর আর পানি খেয়ে কাটিয়ে দিতেন। তিনি কখনো খাবারের কোনো দোষ ধরতেন না।
১৫. পশুপাখির অধিকার রক্ষা
তিনি প্রাণীদের প্রতি নিষ্ঠুরতা নিষেধ করেছেন। একটি তৃষ্ণার্থ কুকুরকে পানি খাওয়ানোর সওয়াব এবং বিড়ালকে কষ্ট দেওয়ার শাস্তির কথা তিনি আমাদের জানিয়েছেন।
১৬. আঙুলের ইশারায় চাঁদ দ্বিখণ্ডিত করা
কাফেরদের দাবির মুখে আল্লাহ তাআলার হুকুমে নবীজি (সা.) আকাশের চাঁদকে দুই টুকরো করে দেখিয়েছিলেন, যা তাঁর নবুওয়াতের এক বড় প্রমাণ ছিল।
১৭. উর্ধ্বাকাশে মিরাজ গমন
নবীজি (সা.) সশরীরে আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের জন্য মিরাজে গিয়েছিলেন। সেখান থেকেই উম্মতের জন্য ৫ ওয়াক্ত নামাজের উপহার নিয়ে আসেন।
১৮. শত্রুর আমানত রক্ষা
মক্কার কাফেররা তাঁকে হত্যার ষড়যন্ত্র করলেও নিজেদের মূল্যবান সম্পদ তাঁর কাছেই আমানত রাখত। হিজরতের সময় তিনি সেই সব আমানত বুঝিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন।
১৯. ঘরের কাজে সহায়তা করা
বিশ্বনবী হয়েও তিনি নিজ হাতে জুতো সেলাই করতেন এবং কাপড়ে তালি দিতেন। ঘরের কাজে পরিবারের সদস্যদের সাহায্য করাকে তিনি সওয়াবের কাজ বলতেন।
২০. মুচকি হাসির সুন্নাত
নবীজি (সা.) সব সময় প্রফুল্ল থাকতেন। তিনি যখন কথা বলতেন, তাঁর মুখে মৃদু হাসি থাকত। তিনি বলতেন, " ভাইয়ের সামনে মুচকি হাসা একটি সাদাকা।"
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন