মাহে রমজানের ফজিলত ও রোজা সম্পর্কে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ হাদিস।
মাহে রমজানের ফজিলত ও রোজা সম্পর্কে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ হাদিস
আসসালামু আলাইকুম। বরকতময় মাহে রমজান আমাদের দ্বারে সমাগত। এই পবিত্র মাস সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা ও সুসংবাদ দিয়েছেন। নিচে রমজান ও রোজা সম্পর্কিত ৫টি সহীহ হাদিস তুলে ধরা হলো:
১. জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয়
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "যখন রমজান মাস আসে, তখন জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেওয়া হয়।"
(সহীহ বুখারী: ১৮৯৯)
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "যখন রমজান মাস আসে, তখন জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেওয়া হয়।"
(সহীহ বুখারী: ১৮৯৯)
২. পূর্বের গুনাহ মাফ
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় রমজানের রোজা পালন করবে, তার পূর্বের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।"
(সহীহ বুখারী: ১৯০১)
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় রমজানের রোজা পালন করবে, তার পূর্বের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।"
(সহীহ বুখারী: ১৯০১)
৩. রাইয়ান নামক বিশেষ দরজা
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "জান্নাতে 'রাইয়ান' নামক একটি দরজা আছে, কিয়ামতের দিন সেই দরজা দিয়ে কেবল রোজাদাররাই প্রবেশ করবে।"
(সহীহ বুখারী: ১৮৯৬)
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "জান্নাতে 'রাইয়ান' নামক একটি দরজা আছে, কিয়ামতের দিন সেই দরজা দিয়ে কেবল রোজাদাররাই প্রবেশ করবে।"
(সহীহ বুখারী: ১৮৯৬)
৪. রোজার প্রতিদান আল্লাহ নিজে দেবেন
আল্লাহ তাআলা বলেছেন: "রোজা কেবল আমারই জন্য, আর আমি নিজেই এর প্রতিদান দেব।"
(সহীহ মুসলিম: ১১৫১)
আল্লাহ তাআলা বলেছেন: "রোজা কেবল আমারই জন্য, আর আমি নিজেই এর প্রতিদান দেব।"
(সহীহ মুসলিম: ১১৫১)
৫. রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দ
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে; একটি হলো ইফতারের সময়, আর অন্যটি হলো আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের সময়।"
(সহীহ বুখারী: ১৯০৪)
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে; একটি হলো ইফতারের সময়, আর অন্যটি হলো আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের সময়।"
(সহীহ বুখারী: ১৯০৪)
হেদায়েতের পথ: আল্লাহ আমাদের সবাইকে সহীহভাবে রোজা রাখার তৌফিক দান করুন। আমিন।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন